মুঠোফোন ব্যবহারে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার বা অন্যান্য ম্যালওয়্যার সংক্রমণ সম্পর্কে চিন্তা করার প্রয়োজন ছিল না। অনলাইনের পরিসর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধীদের তৎপরতা বেড়েছে।
![]() |
| স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ |
স্মার্টফোনে ম্যালওয়ার সংক্রমণের দিন দিন আশঙ্কা বাড়ছে। অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে মুঠোফোন নিরাপদ রাখা যায়। কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারই ম্যালওয়ারমুক্ত যন্ত্রের জন্য শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারে না। স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ হয়েছে কি না, তার কয়েকটি লক্ষণ হলোঃ
১.স্মার্টফোন সঠিকভাবে কাজ না করলে ম্যালওয়ার সংক্রমণ হতে পারে। স্টোরেজ ঠিক করার পর সফটওয়্যার হালনাগাদ করার পর মুঠোফোন ধীরগতিতে কাজ করে। ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায় বলে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ হতে পারে। শক্তিশালী সেলুলার নেটওয়ার্ক থাকার পর কলড্রপ হলে সেটা ম্যালওয়ার সংক্রমণের লক্ষণ।
২ কিছু ম্যালওয়্যার অজান্তেই স্মার্টফোনে অ্যাপ নামিয়ে দেয়। এসব ম্যালওয়্যার স্মার্টফোনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। মুঠোফোনে আড়িপাতার মাধ্যমে তথ্য ব্যাহত হতে পারে। বাড়তি অ্যাপ্লিকেশন থাকায় মুঠোফোনের স্পেস কমে যায় এবং ধীরগতিতে কাজ করে। স্মার্টফোনে কোন কোন অ্যাপ রয়েছে নিয়মিত যাচাই করে দেখতে হবে। অ্যাপের সক্রিয়তার তথ্য সেটিংস অপশন থেকে দেখা যেতে পারে।
৩.ম্যালওয়্যার গোপনে সংক্রমণ করে। মুঠোফোনের বিল যাচাই করেও এর লক্ষণ বোঝা যায়। ম্যালওয়্যারের সংক্রমণ অনেক সময় অজান্তে অ্যাপ কেনা কিংবা কোনো পেইড প্রোগ্রাম ডাউনলোড থেকে।প্রিমিয়াম, রোমিং বা ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ হতে পারে। সাইবার অপরাধীরা এসব উপায় অবলম্বন করে অন্যের মুঠোফোন থেকে তথ্য পাঠিয়ে থাকে।
৪.স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ অনেকটা কম্পিউটারে সংক্রমণের মতোই। ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে পড়লে হুট করে প্রচুর অযাচিত পপ অ্যাড দেখা যায়। বিনা মূল্যের অনেক অ্যাপ আছে, যেগুলো বিজ্ঞাপন দেখায়। এগুলো চালানোর সময় পপ–আপ বিজ্ঞাপন দেখায় না। এ ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা গেলে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক ম্যালওয়্যার পপ–আপ বন্ধ করা যায় না। ভুলেও সেগুলোতে ক্লিক করা যাবে না। পপ–আপে ক্লিক না করাই ভালো।
৫.র্যানসমওয়্যার সাধারণত স্মার্টফোনে কম সংক্রমিত হয়। এ ধরনের সংক্রমণে ফাইল কিংবা পুরো ফোন লকড হয়ে যায়। লক খোলার জন্য অর্থ চাওয়া হয়। অর্থ পাওয়ার পরও সাইবার অপরাধীরা সাধারণত স্মার্টফোন কিংবা ফাইলের লক খুলে দেয় না। স্মার্টফোনের প্রয়োজনীয় ফাইল বা তথ্যের ব্যাকআপ রাখা উচিত। স্মার্টফোন রিসেট দেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় তথ্য ফিরিয়ে আনা যায়।


0 Comments